রিইউনিয়ন ’২৬—স্মৃতির পাতায় ফিরে পাওয়া প্রিয় মুখগুলো:
MUHAMMAD HABIBUR RAHMAN (SUMON)
24 Aug 2026 • 91 views
24 Aug 2026 • 91 views
রিইউনিয়ন ’২৬—স্মৃতির পাতায় ফিরে পাওয়া প্রিয় মুখগুলো:
আমি অত্যন্ত আনন্দিত, আবেগাপ্লুত এবং একই সঙ্গে নস্টালজিয়ায় আচ্ছন্ন হয়েছি DPI 2001–2002 সেশনের Reunion ’26-এর এই সুন্দর আয়োজনটি দেখে। সত্যি বলতে, আমি একেবারে শেষ মুহূর্তে এই আয়োজনের কথা জানতে পেরেছি। ততক্ষণে রেজিস্ট্রেশনের সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় এবারের অনুষ্ঠানে সরাসরি উপস্থিত থাকতে পারিনি। স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা আক্ষেপ হয়েছে, কিন্তু তার চেয়েও বেশি আনন্দিত হয়েছি এত বছর পর আমাদের প্রিয় বন্ধুদের আবার একসঙ্গে দেখতে পেয়ে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে না পারলেও মনটা যেন বারবার চলে গেছে সেই পরিচিত দিনগুলোর কাছে—সেই ক্যাম্পাস, সেই ছাত্রজীবন, সেই বন্ধুত্ব, হাসি-আনন্দ, আড্ডা, দুষ্টুমি আর অসংখ্য ছোট-বড় স্মৃতির কাছে। দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে জীবনের ব্যস্ততায় আমরা অনেকেই একে অপরের কাছ থেকে দূরে সরে গিয়েছিলাম। কিন্তু এই Reunion ’26 যেন সেই হারিয়ে যাওয়া সম্পর্কগুলোর মাঝে আবার একটি সুন্দর ও শক্তিশালী সেতুবন্ধন তৈরি করেছে।
অনুষ্ঠানের প্রতিটি ছবি আমি অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে দেখেছি। অনেক ছবি জুম করে বারবার দেখেছি এবং সেই পুরোনো চেহারাগুলোর সঙ্গে আজকের চেহারাগুলো মিলিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছি। 😊 অনেক প্রিয় বন্ধুকেই চিনতে পেরেছি, আবার অনেককেই দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে চেহারায় পরিবর্তন আসায় প্রথম দেখায় পরিষ্কারভাবে চিনতে একটু কষ্ট হয়েছে। জানি না, অন্য বন্ধুদের ক্ষেত্রেও একই অভিজ্ঞতা হয়েছে কি না! 😄
সময় সত্যিই অনেক কিছু বদলে দেয়—চেহারায় পরিবর্তন আসে, জীবনে পরিবর্তন আসে, আমাদের অবস্থান ও ব্যস্ততা বদলে যায়; কিন্তু স্মৃতির পাতায় কিছু মানুষ ও কিছু সম্পর্ক কখনো পুরোনো হয় না। বন্ধুত্বের প্রকৃত সৌন্দর্য বোধহয় এখানেই—বছরের পর বছর যোগাযোগ না থাকলেও একসঙ্গে বসলে মনে হয়, আমরা যেন সেই আগের জায়গাতেই ফিরে গেছি।
এই অসাধারণ আয়োজনের সঙ্গে জড়িত সকল আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট বন্ধুদের জানাই হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে আন্তরিক অভিনন্দন, কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা । তোমাদের উদ্যোগের কারণেই দীর্ঘদিন পর আমাদের মাঝে যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। এটি শুধু একটি Reunion নয়; আমার কাছে এটি আমাদের পুরোনো বন্ধুত্বকে নতুন করে খুঁজে পাওয়ার একটি অসাধারণ উদ্যোগ।
আমি আন্তরিকভাবে আশা করি, এই সেতুবন্ধনের অগ্রযাত্রা এখানেই থেমে থাকবে না। আমাদের যে সকল বন্ধু এখনো এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেননি, যারা হয়তো জানেনই না যে আমরা আবার একত্রিত হচ্ছি—তাদের খুঁজে বের করে এই বন্ধুত্বের পরিধির মধ্যে নিয়ে আসার জন্য আমরা প্রত্যেকেই যার যার অবস্থান থেকে চেষ্টা করব। একজন আরেকজনকে খুঁজে নেওয়া, যোগাযোগ করা এবং পাশে থাকা—এটাই হোক আমাদের আগামী দিনের অঙ্গীকার।
আর একটি বিষয় অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই।
আজ লক্ষ্য করলাম, কেউ কেউ হয়তো নিছক দুষ্টুমি বা রসিকতার ছলে কিছুটা নেতিবাচক মন্তব্য করছেন। আমার অনুরোধ থাকবে—ছোটখাটো বিষয়, ব্যক্তিগত মতপার্থক্য কিংবা সামান্য ভুল বোঝাবুঝিকে কেন্দ্র করে যেন আমাদের এই সুন্দর বন্ধুত্বের পরিবেশ নষ্ট না হয়।
আমরা সবাই জীবনের একটি দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আজ এখানে এসে দাঁড়িয়েছি। জীবনের এই পর্যায়ে এসে পুরোনো বন্ধুদের নিয়ে আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হওয়া উচিত—ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য, পারস্পরিক সম্মান ও সুন্দর স্মৃতি। কোনো নেতিবাচক মন্তব্য, ভুল বোঝাবুঝি বা ক্ষুদ্র ইস্যু যেন আমাদের মাঝে দূরত্ব তৈরি না করে। কারণ একটি কথার আঘাত হয়তো মুহূর্তের, কিন্তু তার প্রভাব অনেক দীর্ঘ হতে পারে।
চলুন, আমরা সমালোচনার চেয়ে ভালোবাসাকে, বিভেদের চেয়ে বন্ধুত্বকে, ভুল বোঝাবুঝির চেয়ে বোঝাপড়াকে এবং নেতিবাচকতার চেয়ে ইতিবাচকতাকে বেছে নিই।
বন্ধুত্বের এই বন্ধন আরও দৃঢ় হোক, আরও বিস্তৃত হোক।
হারিয়ে যাওয়া বন্ধুরা আবার ফিরে আসুক আমাদের এই ভালোবাসার পরিমণ্ডলে।
পুরোনো স্মৃতিগুলো নতুন প্রজন্মের মতো নতুন করে প্রাণ ফিরে পাক।
আমাদের এই বন্ধুত্ব সময়ের সীমানা পেরিয়ে আজীবন অটুট থাকুক—এই প্রত্যাশাই করি।
ইনশাআল্লাহ, আগামী কোনো এক সুন্দর আয়োজনে আপনাদের সবার সঙ্গে সরাসরি দেখা হবে। সেই দিনের অপেক্ষায় রইলাম।
সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন এবং ভালোবাসায় থাকুন। ❤️
মোঃ হাবিবুর রহমান সুমন
Department: RA
লতিফ ছাত্রাবাস | Room No. 424
DPI 2001–2002
আমি অত্যন্ত আনন্দিত, আবেগাপ্লুত এবং একই সঙ্গে নস্টালজিয়ায় আচ্ছন্ন হয়েছি DPI 2001–2002 সেশনের Reunion ’26-এর এই সুন্দর আয়োজনটি দেখে। সত্যি বলতে, আমি একেবারে শেষ মুহূর্তে এই আয়োজনের কথা জানতে পেরেছি। ততক্ষণে রেজিস্ট্রেশনের সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় এবারের অনুষ্ঠানে সরাসরি উপস্থিত থাকতে পারিনি। স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা আক্ষেপ হয়েছে, কিন্তু তার চেয়েও বেশি আনন্দিত হয়েছি এত বছর পর আমাদের প্রিয় বন্ধুদের আবার একসঙ্গে দেখতে পেয়ে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে না পারলেও মনটা যেন বারবার চলে গেছে সেই পরিচিত দিনগুলোর কাছে—সেই ক্যাম্পাস, সেই ছাত্রজীবন, সেই বন্ধুত্ব, হাসি-আনন্দ, আড্ডা, দুষ্টুমি আর অসংখ্য ছোট-বড় স্মৃতির কাছে। দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে জীবনের ব্যস্ততায় আমরা অনেকেই একে অপরের কাছ থেকে দূরে সরে গিয়েছিলাম। কিন্তু এই Reunion ’26 যেন সেই হারিয়ে যাওয়া সম্পর্কগুলোর মাঝে আবার একটি সুন্দর ও শক্তিশালী সেতুবন্ধন তৈরি করেছে।
অনুষ্ঠানের প্রতিটি ছবি আমি অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে দেখেছি। অনেক ছবি জুম করে বারবার দেখেছি এবং সেই পুরোনো চেহারাগুলোর সঙ্গে আজকের চেহারাগুলো মিলিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছি। 😊 অনেক প্রিয় বন্ধুকেই চিনতে পেরেছি, আবার অনেককেই দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে চেহারায় পরিবর্তন আসায় প্রথম দেখায় পরিষ্কারভাবে চিনতে একটু কষ্ট হয়েছে। জানি না, অন্য বন্ধুদের ক্ষেত্রেও একই অভিজ্ঞতা হয়েছে কি না! 😄
সময় সত্যিই অনেক কিছু বদলে দেয়—চেহারায় পরিবর্তন আসে, জীবনে পরিবর্তন আসে, আমাদের অবস্থান ও ব্যস্ততা বদলে যায়; কিন্তু স্মৃতির পাতায় কিছু মানুষ ও কিছু সম্পর্ক কখনো পুরোনো হয় না। বন্ধুত্বের প্রকৃত সৌন্দর্য বোধহয় এখানেই—বছরের পর বছর যোগাযোগ না থাকলেও একসঙ্গে বসলে মনে হয়, আমরা যেন সেই আগের জায়গাতেই ফিরে গেছি।
এই অসাধারণ আয়োজনের সঙ্গে জড়িত সকল আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট বন্ধুদের জানাই হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে আন্তরিক অভিনন্দন, কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা । তোমাদের উদ্যোগের কারণেই দীর্ঘদিন পর আমাদের মাঝে যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। এটি শুধু একটি Reunion নয়; আমার কাছে এটি আমাদের পুরোনো বন্ধুত্বকে নতুন করে খুঁজে পাওয়ার একটি অসাধারণ উদ্যোগ।
আমি আন্তরিকভাবে আশা করি, এই সেতুবন্ধনের অগ্রযাত্রা এখানেই থেমে থাকবে না। আমাদের যে সকল বন্ধু এখনো এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেননি, যারা হয়তো জানেনই না যে আমরা আবার একত্রিত হচ্ছি—তাদের খুঁজে বের করে এই বন্ধুত্বের পরিধির মধ্যে নিয়ে আসার জন্য আমরা প্রত্যেকেই যার যার অবস্থান থেকে চেষ্টা করব। একজন আরেকজনকে খুঁজে নেওয়া, যোগাযোগ করা এবং পাশে থাকা—এটাই হোক আমাদের আগামী দিনের অঙ্গীকার।
আর একটি বিষয় অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই।
আজ লক্ষ্য করলাম, কেউ কেউ হয়তো নিছক দুষ্টুমি বা রসিকতার ছলে কিছুটা নেতিবাচক মন্তব্য করছেন। আমার অনুরোধ থাকবে—ছোটখাটো বিষয়, ব্যক্তিগত মতপার্থক্য কিংবা সামান্য ভুল বোঝাবুঝিকে কেন্দ্র করে যেন আমাদের এই সুন্দর বন্ধুত্বের পরিবেশ নষ্ট না হয়।
আমরা সবাই জীবনের একটি দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আজ এখানে এসে দাঁড়িয়েছি। জীবনের এই পর্যায়ে এসে পুরোনো বন্ধুদের নিয়ে আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হওয়া উচিত—ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য, পারস্পরিক সম্মান ও সুন্দর স্মৃতি। কোনো নেতিবাচক মন্তব্য, ভুল বোঝাবুঝি বা ক্ষুদ্র ইস্যু যেন আমাদের মাঝে দূরত্ব তৈরি না করে। কারণ একটি কথার আঘাত হয়তো মুহূর্তের, কিন্তু তার প্রভাব অনেক দীর্ঘ হতে পারে।
চলুন, আমরা সমালোচনার চেয়ে ভালোবাসাকে, বিভেদের চেয়ে বন্ধুত্বকে, ভুল বোঝাবুঝির চেয়ে বোঝাপড়াকে এবং নেতিবাচকতার চেয়ে ইতিবাচকতাকে বেছে নিই।
বন্ধুত্বের এই বন্ধন আরও দৃঢ় হোক, আরও বিস্তৃত হোক।
হারিয়ে যাওয়া বন্ধুরা আবার ফিরে আসুক আমাদের এই ভালোবাসার পরিমণ্ডলে।
পুরোনো স্মৃতিগুলো নতুন প্রজন্মের মতো নতুন করে প্রাণ ফিরে পাক।
আমাদের এই বন্ধুত্ব সময়ের সীমানা পেরিয়ে আজীবন অটুট থাকুক—এই প্রত্যাশাই করি।
ইনশাআল্লাহ, আগামী কোনো এক সুন্দর আয়োজনে আপনাদের সবার সঙ্গে সরাসরি দেখা হবে। সেই দিনের অপেক্ষায় রইলাম।
সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন এবং ভালোবাসায় থাকুন। ❤️
মোঃ হাবিবুর রহমান সুমন
Department: RA
লতিফ ছাত্রাবাস | Room No. 424
DPI 2001–2002
1 Likes